বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৩ শিশুর তিস্তা মহাপরিকল্পনা যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করব : মির্জা ফখরুল চট্টগ্রামে ৮ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার ২০২৫-এর প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া সেই কেন্দ্রের সব শিক্ষক-কর্মকর্তাকে অব্যাহতি গুরুদাসপুরে ৩৫ পরিবার অবরুদ্ধ, ইউএনওর হস্তক্ষেপে খুলল চলাচলের পথ দুলুর শুরু করা ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে লালমনিরহাটে- মির্জা ফখরুল গাজীপুরের কোনাবাড়ীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি উৎপাদনের অভিযোগ আলোকিত লালমনিরহাটের প্রথম কর্মসূচি-যৌতুকবিহীন বিয়ে ৭ জোড়া সেনাবাহিনী পরিচালিত ঘাঘট প্রকল্পে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ, হত্যার হুমকি; থানায় মামলা প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, প্রধান শিক্ষক বরখাস্ত
চট্টগ্রামে ৮ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে ৮ বছরের শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক :: চট্টগ্রামের পটিয়ায় আট বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে দীর্ঘদিন ধরে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে ওই মাদ্রাসারই এক শিক্ষক ও তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও পরে তা জানাজানি হয়ে গেলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরপর শনিবার (৪ জুলাই) অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষকের নাম আজিজ উল্লাহ (২০)। তিনি বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর খরন্দীপ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হাফেজ ইলিয়াসের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী শিশুটি পটিয়া উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের ঈশ্বরখাইন চৌধুরীপাড়া আজিজিয়া নজিরিয়া তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। বেশ কিছুদিন ধরে সে শারীরিক সমস্যায় ভুগছিল। প্রথমে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টিকে পাইলসজনিত সমস্যা বলে মনে করেছিলেন। পরে তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান যে এটি পাইলস নয়। বরং শিশুটির সঙ্গে বলাৎকারের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।

এরপর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে পুরো ঘটনা খুলে বলে। শিশুটি জানায়, মাদ্রাসার শিক্ষক আজিজ উল্লাহ এবং তাকে একই কাজে সহযোগিতা করেছে মাদ্রাসার আরও তিন শিক্ষার্থী। গত প্রায় এক বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে ওই চারজন মিলে তার ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।

এদিকে ঘটনাটি শুরুতে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবার প্রথমে মামলা করতে গেলে মাদ্রাসার অন্য শিক্ষকেরা তাদের আইনি ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান। তারা অভিভাবকদের বোঝান, মামলা হলে মাদ্রাসাটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে।


পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক বলেন, বিষয়টি জানার পর অভিযুক্তদের মধ্যে আজিজ উল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের থানায় হাজির হওয়ার জন্য জানানো হয়েছে। পরে আজিজ উল্লাহকে সন্দেহভাজন হিসেবে ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আরও বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। মামলা করা হলে এ ঘটনায় তাকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com